ভেরিকোজ ভেইন: লক্ষণ, কারণ ও আধুনিক চিকিৎসা
পায়ের শিরা অস্বাভাবিকভাবে ফুলে ওঠা, আঁকাবাঁকা নীল বা বেগুনি রঙের শিরা দেখা যাওয়া কিংবা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার পর পায়ে ব্যথা ও ভারী অনুভূতি—এসব ভেরিকোজ ভেইনের লক্ষণ হতে পারে। অনেকেই এটিকে শুধু সৌন্দর্যজনিত সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু কিছু রোগীর ক্ষেত্রে সময়ের সঙ্গে পা ফুলে যাওয়া, ত্বকের রং পরিবর্তন, রক্তপাত কিংবা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষতের মতো জটিলতা তৈরি হতে পারে।
বর্তমানে ভেরিকোজ ভেইন চিকিৎসায় কেবল প্রচলিত অপারেশনই একমাত্র উপায় নয়। রোগের ধরন ও তীব্রতা অনুযায়ী জীবনযাত্রার পরিবর্তন, কমপ্রেশন স্টকিংস, এন্ডোভেনাস লেজার অ্যাবলেশন বা EVLA, স্ক্লেরোথেরাপি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সার্জারিসহ বিভিন্ন চিকিৎসা দেওয়া যায়।
ভেরিকোজ ভেইন কী?
পায়ের শিরার ভেতরে ছোট ছোট একমুখী ভালভ থাকে। এগুলো পা থেকে রক্তকে হৃদ্যন্ত্রের দিকে প্রবাহিত হতে সাহায্য করে এবং রক্তকে নিচের দিকে ফিরে আসা থেকে বাধা দেয়।
কোনো কারণে এই ভালভ দুর্বল বা অকার্যকর হয়ে গেলে রক্ত শিরার মধ্যে জমতে শুরু করে। এতে শিরার ভেতরে চাপ বাড়ে এবং ধীরে ধীরে শিরা ফুলে, প্রসারিত ও আঁকাবাঁকা হয়ে যায়। এ অবস্থাকেই ভেরিকোজ ভেইন বলা হয়।
ভেরিকোজ ভেইন সবচেয়ে বেশি পায়ে দেখা গেলেও শরীরের অন্যান্য স্থানেও হতে পারে।
ভেরিকোজ ভেইনের সাধারণ লক্ষণ
সব রোগীর লক্ষণ একরকম হয় না। কারও ক্ষেত্রে শুধু শিরা দৃশ্যমান হয়, আবার কারও ব্যথা ও ত্বকের পরিবর্তনের মতো সমস্যা দেখা দেয়।
সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
- পায়ের ওপর নীল বা বেগুনি রঙের আঁকাবাঁকা শিরা দেখা যাওয়া
- শিরা ফুলে ত্বকের ওপর উঁচু হয়ে ওঠা
- দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে থাকার পর পায়ে ব্যথা
- পা ভারী, ক্লান্ত বা অস্বস্তিকর লাগা
- পায়ের নিচের অংশ বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া
- আক্রান্ত শিরার আশপাশে চুলকানি বা জ্বালাপোড়া
- রাতে পায়ের পেশিতে টান বা ক্র্যাম্প
- ত্বক শুষ্ক, শক্ত বা কালচে হয়ে যাওয়া
- সামান্য আঘাতে ফুলে থাকা শিরা থেকে রক্তপাত
- গোড়ালির আশপাশে ক্ষত তৈরি হওয়া এবং সহজে না শুকানো
সাধারণত দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকলে এসব উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে। বিশ্রামের সময় পা কিছুটা উঁচু করে রাখলে অনেকের অস্বস্তি কমে।
কেন ভেরিকোজ ভেইন হয়?
ভেরিকোজ ভেইনের প্রধান কারণ হলো শিরার ভালভ ঠিকভাবে কাজ না করা। তবে কিছু বিষয় এ রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
পারিবারিক ইতিহাস
পরিবারে বাবা-মা বা নিকটাত্মীয়ের ভেরিকোজ ভেইন থাকলে অন্য সদস্যদের মধ্যেও এটি হওয়ার প্রবণতা বাড়তে পারে।
দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে বা বসে কাজ করা
শিক্ষক, চিকিৎসক, নার্স, বিক্রয়কর্মী, নিরাপত্তাকর্মী এবং অফিসে দীর্ঘ সময় বসে কাজ করেন—এমন ব্যক্তিদের পায়ের শিরায় চাপ বাড়তে পারে।
বয়স বৃদ্ধি
বয়স বাড়ার সঙ্গে শিরার দেয়াল ও ভালভ দুর্বল হয়ে যেতে পারে। ফলে রক্ত সঠিকভাবে ওপরে উঠতে বাধা পায়।
অতিরিক্ত ওজন
অতিরিক্ত শরীরের ওজন পায়ের শিরার ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করে এবং ভেরিকোজ ভেইনের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
গর্ভাবস্থা
গর্ভাবস্থায় শরীরে রক্তের পরিমাণ ও হরমোনের পরিবর্তন এবং জরায়ুর চাপের কারণে পায়ের শিরা ফুলে যেতে পারে। সন্তান জন্মের পর অনেকের অবস্থার উন্নতি হলেও কারও সমস্যা থেকে যেতে পারে।
পূর্বে DVT হওয়া
পায়ের গভীর শিরায় রক্ত জমাট বা Deep Vein Thrombosis—DVT হওয়ার কারণে শিরার ভালভ ক্ষতিগ্রস্ত হলে পরবর্তী সময়ে ভেরিকোজ ভেইন বা দীর্ঘস্থায়ী শিরাজনিত সমস্যা হতে পারে।
ভেরিকোজ ভেইন কি বিপজ্জনক?
সব ভেরিকোজ ভেইন বিপজ্জনক নয় এবং সব রোগীর তাৎক্ষণিক চিকিৎসাও প্রয়োজন হয় না। তবে অবহেলা করলে কিছু ক্ষেত্রে রোগটি ধীরে ধীরে জটিল হতে পারে।
সম্ভাব্য জটিলতাগুলো হলো:
- পায়ের দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা ও ফোলা
- ত্বকে চুলকানি বা ভেনাস একজিমা
- ত্বকের রং কালচে হয়ে যাওয়া
- ত্বক শক্ত বা মোটা হয়ে যাওয়া
- শিরার মধ্যে প্রদাহ ও রক্ত জমাট
- আঘাতের পর অতিরিক্ত রক্তপাত
- ভেনাস আলসার বা দীর্ঘস্থায়ী ক্ষত
- কিছু রোগীর ক্ষেত্রে গভীর শিরায় রক্ত জমাট বাঁধার ঝুঁকি
পা হঠাৎ বেশি ফুলে যাওয়া, লাল বা গরম হয়ে যাওয়া, তীব্র ব্যথা, শ্বাসকষ্ট কিংবা বুকব্যথা হলে দ্রুত জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
কীভাবে ভেরিকোজ ভেইন নির্ণয় করা হয়?
প্রথমে চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, পেশা, পারিবারিক ইতিহাস এবং আগে DVT হয়েছিল কি না—এসব তথ্য জানবেন। এরপর সাধারণত দাঁড়ানো অবস্থায় পায়ের শিরা পরীক্ষা করা হয়।
ভাসকুলার ডপলার বা ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড
ভেরিকোজ ভেইন নির্ণয়ের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা হলো ভেনাস ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড। এই ব্যথাহীন পরীক্ষার মাধ্যমে দেখা যায়:
- শিরার ভেতর দিয়ে রক্ত কীভাবে প্রবাহিত হচ্ছে
- কোন ভালভটি ঠিকভাবে কাজ করছে না
- রক্ত বিপরীত দিকে ফিরে আসছে কি না
- গভীর শিরায় কোনো রক্ত জমাট আছে কি না
- কোন শিরায় চিকিৎসা প্রয়োজন
ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের ফল অনুযায়ী রোগীর জন্য উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা করা হয়।
ভেরিকোজ ভেইনের চিকিৎসা
চিকিৎসা নির্ধারণের ক্ষেত্রে রোগীর লক্ষণ, আল্ট্রাসাউন্ডের ফল, আক্রান্ত শিরার অবস্থান, বয়স এবং অন্যান্য শারীরিক সমস্যা বিবেচনা করা হয়।
জীবনযাত্রায় প্রয়োজনীয় পরিবর্তন
প্রাথমিক বা হালকা উপসর্গে চিকিৎসক কিছু অভ্যাস পরিবর্তনের পরামর্শ দিতে পারেন:
- নিয়মিত হাঁটা ও হালকা ব্যায়াম করা
- অতিরিক্ত ওজন থাকলে নিয়ন্ত্রণ করা
- দীর্ঘ সময় একটানা দাঁড়িয়ে বা বসে না থাকা
- কাজের ফাঁকে পা নড়াচড়া করা
- বিশ্রামের সময় পা কিছুটা উঁচু করে রাখা
- ধূমপান পরিহার করা
- পায়ের ত্বক পরিষ্কার ও আর্দ্র রাখা
এসব অভ্যাস উপসর্গ কমাতে সাহায্য করতে পারে, তবে ইতিমধ্যে ফুলে যাওয়া শিরা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক করে দেয় না।
কমপ্রেশন স্টকিংস
বিশেষ ধরনের কমপ্রেশন স্টকিংস পায়ের নিচের অংশে নিয়ন্ত্রিত চাপ প্রয়োগ করে। এটি রক্তপ্রবাহে সহায়তা করে এবং ব্যথা ও ফোলা কমাতে পারে।
তবে সব রোগীর জন্য একই মাত্রার স্টকিংস উপযুক্ত নয়। বিশেষ করে পায়ের ধমনিতে রক্ত চলাচলের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কমপ্রেশন স্টকিংস ব্যবহার করা উচিত নয়।
EVLA বা Endovenous Laser Ablation
EVLA হলো ভেরিকোজ ভেইনের একটি আধুনিক ও তুলনামূলকভাবে কম আক্রমণাত্মক চিকিৎসাপদ্ধতি। আল্ট্রাসাউন্ডের সাহায্যে আক্রান্ত শিরার মধ্যে একটি সরু লেজার ফাইবার প্রবেশ করানো হয়। লেজারের নিয়ন্ত্রিত তাপের মাধ্যমে অসুস্থ শিরাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়।
বন্ধ হয়ে যাওয়া শিরার পরিবর্তে সুস্থ শিরাগুলো দিয়ে স্বাভাবিকভাবে রক্ত চলাচল করতে থাকে।
EVLA-এর সম্ভাব্য সুবিধা:
- সাধারণত ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে করা যায়
- বড় ধরনের কাটাছেঁড়া প্রয়োজন হয় না
- অনেক ক্ষেত্রে লোকাল অ্যানেসথেশিয়ায় করা সম্ভব
- রোগী সাধারণত একই দিনে বাড়ি যেতে পারেন
- চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী দ্রুত স্বাভাবিক কাজে ফেরা যায়
- প্রচলিত অপারেশনের তুলনায় ক্ষত ও দাগ কম হতে পারে
তবে EVLA সবার জন্য উপযুক্ত নয়। ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ড করে আক্রান্ত শিরার গঠন ও রক্তপ্রবাহ মূল্যায়নের পর সিদ্ধান্ত নিতে হয়।
স্ক্লেরোথেরাপি
এই পদ্ধতিতে আক্রান্ত শিরার মধ্যে একটি বিশেষ ওষুধ বা ফোম প্রবেশ করানো হয়। এতে শিরাটি বন্ধ হয়ে যায় এবং সময়ের সঙ্গে শরীর সেটিকে শোষণ করে নেয়।
ছোট বা নির্দিষ্ট ধরনের ভেরিকোজ ভেইনে স্ক্লেরোথেরাপি ব্যবহার করা হতে পারে।
মাইক্রোফ্লেবেকটমি
ত্বকের কাছাকাছি বড় ও উঁচু হয়ে থাকা কিছু শিরা খুব ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে বের করে দেওয়ার পদ্ধতিকে মাইক্রোফ্লেবেকটমি বলা হয়। রোগীর প্রয়োজন অনুযায়ী এটি EVLA-এর সঙ্গে বা আলাদাভাবে করা যেতে পারে।
প্রচলিত সার্জারি
লেজার বা অন্যান্য কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি উপযুক্ত না হলে নির্বাচিত রোগীর ক্ষেত্রে শিরা বন্ধ করা বা অপসারণের সার্জারি প্রয়োজন হতে পারে।
EVLA করার পর কী কী মেনে চলতে হয়?
চিকিৎসার পর করণীয় রোগীভেদে ভিন্ন হতে পারে। সাধারণভাবে চিকিৎসক পরামর্শ দিতে পারেন:
- নিয়মিত অল্প অল্প হাঁটতে
- নির্ধারিত সময় পর্যন্ত কমপ্রেশন স্টকিংস পরতে
- কয়েক দিন ভারী ব্যায়াম বা অতিরিক্ত পরিশ্রম এড়িয়ে চলতে
- চিকিৎসার স্থান পরিষ্কার ও শুকনো রাখতে
- নির্ধারিত সময়ে ফলোআপ ও প্রয়োজনীয় আল্ট্রাসাউন্ড করতে
- অস্বাভাবিক ব্যথা, অতিরিক্ত ফোলা বা শ্বাসকষ্ট হলে দ্রুত যোগাযোগ করতে
চিকিৎসকের নির্দেশনা যথাযথভাবে অনুসরণ করলে চিকিৎসা-পরবর্তী জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।
কখন ভাসকুলার সার্জনের পরামর্শ নেবেন?
নিচের যেকোনো সমস্যা থাকলে ভাসকুলার সার্জনের পরামর্শ নেওয়া উচিত:
- পায়ের ফুলে থাকা শিরার সঙ্গে ব্যথা বা ভারী অনুভূতি
- নিয়মিত পা বা গোড়ালি ফুলে যাওয়া
- আক্রান্ত স্থানে চুলকানি বা ত্বকের রং পরিবর্তন
- দীর্ঘদিন ধরে না শুকানো পায়ের ক্ষত
- ফুলে থাকা শিরা থেকে রক্তপাত
- শিরা শক্ত, লাল এবং ব্যথাযুক্ত হয়ে যাওয়া
- দৈনন্দিন কাজ বা ঘুমে সমস্যা হওয়া
- চিকিৎসা প্রয়োজন কি না তা নিয়ে অনিশ্চয়তা
শুধু বাইরে থেকে শিরা দেখে চিকিৎসা নির্বাচন করা উচিত নয়। সঠিক পরীক্ষা ও ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে সমস্যার কারণ নির্ণয় করা গুরুত্বপূর্ণ।
ভেরিকোজ ভেইন সম্পর্কে সাধারণ প্রশ্ন
১. ভেরিকোজ ভেইন কি ওষুধে সম্পূর্ণ ভালো হয়?
ওষুধ বা জীবনযাত্রার পরিবর্তনের মাধ্যমে ব্যথা ও ফোলার মতো উপসর্গ কিছুটা নিয়ন্ত্রণ করা যেতে পারে। তবে অকার্যকর ভালভসহ ফুলে যাওয়া শিরা শুধু ওষুধে সাধারণত সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হয় না।
২. EVLA কি বড় অপারেশন?
EVLA সাধারণত কম আক্রমণাত্মক পদ্ধতি। ছোট একটি প্রবেশপথ দিয়ে লেজার ফাইবার ব্যবহার করে আক্রান্ত শিরা বন্ধ করা হয়। তবে রোগীর উপযোগিতা পরীক্ষা করে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেবেন।
৩. আক্রান্ত শিরা বন্ধ করলে রক্ত চলাচলে সমস্যা হবে?
পায়ের বেশির ভাগ রক্ত গভীর ও সুস্থ শিরার মাধ্যমে হৃদ্যন্ত্রে ফিরে যায়। অসুস্থ উপরিভাগের শিরা বন্ধ হলে রক্ত সুস্থ শিরার মাধ্যমে প্রবাহিত হয়। চিকিৎসার আগে আল্ট্রাসাউন্ডের মাধ্যমে গভীর শিরার অবস্থা পরীক্ষা করা হয়।
৪. ভেরিকোজ ভেইন কি আবার হতে পারে?
চিকিৎসা করা শিরা সফলভাবে বন্ধ হলেও ভবিষ্যতে অন্য শিরায় নতুন করে সমস্যা হতে পারে। স্বাস্থ্যকর ওজন, নিয়মিত হাঁটা এবং দীর্ঘক্ষণ স্থির হয়ে না থাকা ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।
৫. গর্ভাবস্থায় ভেরিকোজ ভেইনের চিকিৎসা করা যায় কি?
গর্ভাবস্থায় সাধারণত কমপ্রেশন স্টকিংস ও প্রয়োজনীয় সহায়ক ব্যবস্থার পরামর্শ দেওয়া হয়। EVLA বা সার্জারির মতো পদ্ধতি সাধারণত সন্তান জন্মের পর পুনর্মূল্যায়ন করে বিবেচনা করা হয়।
ঢাকায় ভেরিকোজ ভেইন চিকিৎসার পরামর্শ
পায়ের শিরা ফুলে যাওয়া, দীর্ঘদিনের ব্যথা, পা ভারী লাগা, ত্বকের রং পরিবর্তন কিংবা পায়ের ক্ষত থাকলে সমস্যাটি অবহেলা না করে মূল্যায়ন করানো প্রয়োজন।
Dr. Md. Nagib Mahfuz Khan-এর কাছে ভেরিকোজ ভেইন, পায়ের রক্তনালির সমস্যা এবং EVLAসহ উপযুক্ত চিকিৎসা সম্পর্কে পরামর্শ নিতে পারেন। রোগীর শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় ডুপ্লেক্স আল্ট্রাসাউন্ডের ফল অনুযায়ী ব্যক্তিকেন্দ্রিক চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণ করা হয়।
সিরিয়ালের জন্য কল করুন: +88 01720422448
Leave a Reply